ঢাকা ০৪:২২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
চিরিরবন্দরে ধান ক্ষেতে পড়েছিল গলায় গামছা পেঁচানো ভ্যানচালকের মরদেহ মধ্যনগরে বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে আনন্দ র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত  সার নিতে গিয়ে কৃষকদের হট্টগোল, আহত ৩ ক্যান্সার আক্রান্ত ৫ বছরের শিশু কাজী রাফসানের বাঁচতে চাওয়ার ব্যাকুল আকুতি: সাহায্যে এগিয়ে আসুন সাতক্ষীরা ঐতিহ্যের গুড়পুকুর মেলায় উপচে পড়া ভিড়, বিকেল হলেই নামে জনস্রোত সাতক্ষীরা আদালত উমেদারমুক্ত, ভোগান্তি কমবে বিচারপ্রার্থীদের সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের বিভাগীয় পদোন্নতি পরীক্ষা-২০২৬ এর Payment প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত ময়ননসিংহে ১ম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশীপ–২০২৬ এর উদ্বোধন পঞ্চগড়ে ডিবির অভিযানে ৪ কেজি গাজাসহ গ্রেফতার ১ গোপালগঞ্জের পূবালী ব্যাংক পিএলসির বৃক্ষরোপন অভিযান 

সাতক্ষীরা আদালত উমেদারমুক্ত, ভোগান্তি কমবে বিচারপ্রার্থীদের

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:০০:২৭ পূর্বাহ্ণ, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক ইনসাফ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিভিন্ন দপ্তরে কর্মরত প্রায় ৪৯ জন উমেদারের (অনিবন্ধিত সহকারী) কাজ বন্ধ করে পুরো আদালত প্রাঙ্গণকে ‘উমেদারমুক্ত’ ঘোষণা করা হয়েছে। সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ নজরুল ইসলামের নির্দেশে গত ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়।

আদালত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বিচারপ্রার্থীদের ওপর আর্থিক চাপ সৃষ্টি ও হয়রানির জন্য দীর্ঘদিন ধরে উমেদারদের বিরুদ্ধে নানামুখী অভিযোগ উঠছিল। এ পদক্ষেপের ফলে মধ্যস্বত্বভোগীদের উপস্থিতি বন্ধ হবে, আদালতের প্রশাসনিক কাজের স্বচ্ছতা বাড়বে এবং বিচারে আসা মানুষ হয়রানি থেকে রক্ষা পাবেন।

সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম আদালতকে দুর্নীতিমুক্ত রাখতে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা চেয়েছেন এবং বিচারপ্রার্থীদের কোনো ধরনের অনৈতিক লেনদেনের শিকার না হতে সতর্ক থাকতে অনুরোধ করেছেন।

সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সমিতির আহ্বায়ক আইনজীবী বিএম মিজানুর রহমান পিন্টু বলেন, আদালত উমেদারমুক্ত করার উদ্যোগটি অত্যন্ত সময়োপযোগী। এখন সাধারণ মানুষ সরাসরি সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের কাছ থেকে সেবা পাবেন, যা পুরো আইনি প্রক্রিয়ায় শৃঙ্খলা আনবে।

সরকারি কৌঁসুলি (জিপি) আইনজীবী অসীম কুমার মন্ডল বলেন, ন্যায়বিচারের আস্থা টিকিয়ে রাখতে স্বচ্ছতা জরুরি। মধ্যস্বত্বভোগী ৩উঠে যাওয়ায় আদালতের পরিবেশ জনবান্ধব হবে।

আইনজীবী মুহা. মনিরুদ্দীন জানান, বিচারপ্রার্থীরা ন্যায়বিচারের আশায় আদালতে আসেন। তাঁদের যেন অন্যের ওপর নির্ভরশীল হতে না হয়, তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন ছিল।

আদালতে আসা সাধারণ বিচারপ্রার্থীরাও এ পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাঁরা জানান, এত দিন প্রয়োজনীয় কাজের জন্য কার কাছে যেতে হবে বা কীভাবে সেবা নিতে হবে, তা নিয়ে তৈরি হওয়া বিভ্রান্তির কারণে বাড়তি অর্থ ও সময় অপচয় হতো। এ ব্যবস্থার ফলে তাঁরা সরাসরি দাপ্তরিক সেবা নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :